Header Border

গাইবান্ধা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২০ ইং | ৫ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল) ২৭°সে

গাইবান্ধায় ডিডিবায়ো প্রোগ্রামের প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ উদ্বোধন করেছেন জেলা প্রশাসক

গাইবান্ধা সদর উপজেলার বোয়ালী ইউনিয়নের নশরৎপুরে গণ উন্নয়ন কেন্দ্র বাস্তবায়িত ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ডেলিভারি অভ বায়োফর্টিফাইড ক্রপস্ অ্যাট স্কেল (ডিডিবায়ো) প্রোগ্রামের আয়োজনে প্রশিক্ষকদের তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে।  শনিবার সকালে গণ উন্নয়ন কেন্দ্রের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে প্রধান অতিথি হিসেবে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মতিন।

ইউকেএইডের আর্থিক সহযোগিতায় এবং আন্তর্জাতিক আলু কেন্দ্রের (সিআইপি-বাংলাদেশ) সহায়তায় ও বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের কারিগরী সহায়তায় এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে। গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রামের ২০ জন কমিউনিটি নিউট্রিশন স্কলার এবং কৃষি ভলান্টিয়ারকে এই প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এবার ছয় হাজার পরিবার এই কমলা শাঁসযুক্ত মিষ্টি আলু উৎপাদন করবেন।

প্রথমে ডিডিবায়ো প্রোগ্রাম সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন বাংলাদেশস্থ আন্তর্জাতিক আলু কেন্দ্রের এগ্রিকালচারাল রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্পেশালিষ্ট মো. মনোয়ার হোসেন। এরপর এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ডিডিবায়ো প্রোগ্রামের প্রোজেক্ট কো-অর্ডিনেটর মো. মাহমুদুল হাসান রুমেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মতিন, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের সিনিয়র সায়েন্টিফিক অফিসার ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম ও গণ উন্নয়ন কেন্দ্রের কো-অর্ডিনেটর আফতাব হোসেন।

প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ প্রদান করছেন আন্তর্জাতিক আলু কেন্দ্রের এগ্রিকালচারাল রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের স্পেশালিষ্ট মো. মনোয়ার হোসেন, মনিটরিং অ্যান্ড ইভালুয়েশনের স্পেশালিষ্ট মো. ফরিদ উদ্দিন, ন্যাশনাল কনসালটেন্ট নিলুফার সুলতানা ও কমিউনিকেশন অ্যান্ড এক্সটারনাল রিলেশনের প্রোগ্রাম অফিসার ফারহানা হোসেন ইব্রাহিম। এর আগে একই বিষয়ে একই স্থানে গত ১৬ থেকে ১৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আরও ২০ জনকে তিন দিনের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মতিন বলেন, দেশে সন্তানধারনক্ষম নারী, কিশোরী এবং ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিতের লক্ষে ডিডিবায়ো প্রোগ্রামটি যেভাবে কাজ করে যাচ্ছে তা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার। কেননা কর্মসূচিটি মানুষের পুষ্টি চাহিদা যেমন- ভিটামিন এ, বি, সি এবং জিংক, আয়রন ও হজমকারক আশঁসহ অন্যন্য পুষ্টি উপাদান সমৃদ্ধ কমলা শাঁসযুক্ত মিষ্টিআলু উৎপাদন নিয়ে কাজ করছে। শুধু তাই নয়, মিষ্টি আলু ক্যান্সার প্রতিরোধেও কাজ করে। তাই এতোসব পুষ্টিগুন সমৃদ্ধ যে খাবার তা সকলেরই বেশি বেশি করে খাওয়া উচিত।

উল্লেখ্য, প্রোগ্রামটি গাইবান্ধা সদর ও ফুলছড়ি উপজেলা, রংপুরের পীরগাছা ও কাউনিয়া উপজেলা এবং কুড়িগ্রাম সদর ও রাজারহাট উপজেলায় ২০১৯ সালের অক্টোবর থেকে কাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন :

আরও পড়ুন

সাঘাটার রামনগর গ্রাম নদীভাঙন হতে রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান
ঘাঘট নদীর তীব্র ভাঙন, বিলীন হচ্ছে ঘরবাড়ি
সাদুল্লাপুরে তথ্য অফিসের উঠান বৈঠক  
৫ দফা দাবিতে গাইবান্ধায় ফারিয়ার কর্মবিরতি ও মানববন্ধন
গাইবান্ধায় বিআরডিবির প্রশিক্ষণ সনদ, ঋণের চেক, গাছের চারা ও বীজ বিতরণ
গাইবান্ধায় ডিডিবায়ো প্রোগ্রামের প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

আরও খবর