Header Border

গাইবান্ধা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২০ ইং | ১০ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল) ২৮°সে
শিরোনাম :
বৈরী আবহাওয়ায় গাইবান্ধায় পানিতে ভাসছে ১২০০০ হেক্টর আমন ধান বৈরী আবহাওয়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত, স্থবির ব্যবসা বানিজ্য বন্যায় ভাঙন সড়কে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করলো গ্রামবাসী বৈরী আবহাওয়ায় গাইবান্ধায় আমন ধানসহ ফসলাদির ক্ষতির আশঙ্কা হাতির পিঠে ই-সেবার প্রচারণা সাদুল্লাপুরের সেই কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক মতিনকে অবশেষে অব্যাহতি সাদুল্লাপুরে ঘর ও সোলার দেওয়ার নামে অর্থ আদায়ের অভিযোগ সাদুল্লাপুরে অগ্নিকাণ্ডে ১০ পরিবারের ঘরবাড়ি ভস্মিভূত, ১৮ লক্ষাধিক টাকা ক্ষয়ক্ষতি গাইবান্ধায় দইয়ের বাটি তৈরী করে সফলতা পেয়েছে মজিদা ও মহিদুল গাড়ী ধোয়া-মোছার কাজ করা শ্রমিকরাই চালক হয় : সভাপতি কাজী মকবুল হোসেন

খনিজ সম্পদ অনুসন্ধানের উদ্যোগ নেই গাইবান্ধায়

খনিজ সম্পদের সন্ধানে সর্বশেষ গাইবান্ধায় কুপ খনন করা হয়েছে ৪০ বছর আগে। সেসময় সদর উপজেলার দারিয়াপুরে খনন করা ওই কুপে কিছুই পায়নি বাংলাদেশ ভূ-তাত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জিএসবি)। এরপর আজ অবধি এ জেলায় খনিজ সম্পদ অনুসন্ধানের জন্য কোনও কুপ খনন করেনি রাষ্ট্রীয় কোন প্রতিষ্ঠান।

জিএসবি, পেট্রোবাংলা ও বাপেক্স সুত্রে জানা যায়, ১৯৭২ সালের ১০ নভেম্বর মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তে জিএসবিকে তেল ও গ্যাস ছাড়া দেশের অন্যান্য খনিজ সম্পদ অনুসন্ধানের দায়িত্ব প্রদান করা হয়। একই বছরের ২৬ মার্চ গঠিত বাংলাদেশ খনিজ, তৈল ও গ্যাস করপোরেশনকে দায়িত্ব দেওয়া হয় তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য।

পরে ১৯৭৪ সালের ২২ আগষ্ট বাংলাদেশ তৈল ও গ্যাস করপোরেশন নামে পুনর্গঠন করে নামকরণ করা হয় পেট্রোবাংলা। ১৯৮৯ সালের ১ জুলাই পেট্রোবাংলার অনুসন্ধান পরিদপ্তরকে অবলুপ্ত করে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স) নামে পেট্রোবাংলার অধীনে একটি স্বতন্ত্র কোম্পানি গঠন করা হয় ও পরে ২০০০ সালে অনুসন্ধান কার্যক্রমের পাশাপাশি উৎপাদন কোম্পানি হিসেবে পুনর্গঠন করা হয় বাপেক্সকে।

পূর্বে এ জেলা ছিল রংপুর জেলাধীন। পরে ১৯৮৪ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি গাইবান্ধা মহকুমাকে জেলায় রূপান্তরিত করা হয়। স্বাধীনতার পরে দারিয়াপুরে একবার ছাড়া আর কখনও এ জেলায় খনিজ সম্পদ অনুসন্ধানের জন্য কুপ খনন করা হয়নি বলে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সিনিয়র সাংবাদিক মোশাররফ হোসেন বুলু, সদরের গোবিন্দ লাল দাশ, সাদুল্লাপুরের শাহজাহান সোহেল, পলাশবাড়ীর মঞ্জুর কাদির মুকুল, গোবিন্দগঞ্জের গোপাল মোহন্ত, সাঘাটার আসাদ সরকার ও ফুলছড়ি উপজেলার আমিনুল ইসলামের সাথে কথা বলে জানা গেছে।

শুধু নব্বইয়ের দশকের দিকে সুন্দরগঞ্জে একবার জরিপ করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন সাংবাদিক মোশাররফ হোসেন বুলু। এ ছাড়া অন্য কোন উপজেলায় কোন জরিপও করা হয়নি বলে জানা গেছে এই সিনিয়র সাংবাদিকদের সাথে কথা বলে। কেননা খনিজ সম্পদ অনুসন্ধানের জন্য কোথাও কোন সার্ভে বা কুপ খনন করা হলে অন্তত সংশ্লিষ্ট উপজেলার এসব সাংবাদিকরা জানতো বলে তারা জানান।

কোন খনিজ সম্পদ পাওয়া গেলে কর্মসংস্থান বৃদ্ধিসহ আর্থিকভাবে উন্নতি হতো মানুষের। সেই সাথে মাটির নিচে থাকা প্রাকৃতিক সম্পদেরও সঠিক ব্যবহার হতো। এতে করে দেশের অনেক উন্নতি হতো। আর তাই শুধু গাইবান্ধাতেই নয়, সারাদেশেই প্রাকৃতিক সম্পদ অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে আরও অনেক বেশি শক্তিশালী করা প্রয়োজন বলে মনে করেন সুধী সমাজ ।

জেলার প্রবীণ সাংবাদিক গোবিন্দ লাল দাশ বলেন, গাইবান্ধার পাশ্ববর্তী জেলা রংপুর, দিনাজপুর ও জয়পুরহাটে কয়লা ও চুনা পাথর খনি যেহেতু আছে তাহলে আমাদের এ জেলাতেও থাকতে পারে মূল্যবান কোন খনিজ সম্পদ। তাই খনিজ সম্পদ অনুসন্ধানের জন্য এ জেলায়ও জরিপ ও কুপ খনন করা প্রয়োজন। কিছু পাওয়া গেলে সেটা দেশেরই উন্নয়নে কাজে লাগবে।

জিএসবির খনন প্রকৌশল বিভাগের উপ-পরিচালক মো. মহিরুল ইসলাম বলেন, কয়লার সন্ধানে ১৯৭৮-৭৯ সালের দিকে গাইবান্ধার দারিয়াপুরে একবার কুপ খনন করা হয়েছিল। তবে সেখানে কয়লা বা কোন খনিজ সম্পদ না পাওয়ায় কুপটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে।

বাপেক্সের খনন পরিচালনা বিভাগের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. নজরুল ইসলাম বলেন, গাইবান্ধায় সাইসমিক জরিপ রিপোর্টে পজিটিভ সাইন পাওয়া যায়নি। তাই খননও করা হয়নি।

তবে বাপেক্সের একটি সুত্রে জানা যায়, ২০০৯ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত গাইবান্ধায় কোন জরিপ পরিচালনা করেনি এ প্রতিষ্ঠানটি।

আপনার মতামত লিখুন :

আরও পড়ুন

বৈরী আবহাওয়ায় গাইবান্ধায় পানিতে ভাসছে ১২০০০ হেক্টর আমন ধান
বৈরী আবহাওয়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত, স্থবির ব্যবসা বানিজ্য
বন্যায় ভাঙন সড়কে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করলো গ্রামবাসী
বৈরী আবহাওয়ায় গাইবান্ধায় আমন ধানসহ ফসলাদির ক্ষতির আশঙ্কা
হাতির পিঠে ই-সেবার প্রচারণা
সাদুল্লাপুরের সেই কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক মতিনকে অবশেষে অব্যাহতি

আরও খবর