Header Border

গাইবান্ধা শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২০ ইং | ৩১শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ (বর্ষাকাল) ২৮°সে
শিরোনাম :
বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান ফাউণ্ডেশনের উদ্যোগে গাইবান্ধায় বন্যার্তদের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গাইবান্ধায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের বৃক্ষরোপন কর্মসূচি কোরবানি কর্মসূচির মাংস পেল গাইবান্ধার ২১০০ হতদরিদ্র পরিবার গাইবান্ধায় এসএসসি ০২ ব্যাচের উদ্যোগে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মধ্যে ঈদের কাপড় বিতরণ গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজরিত জায়গার লিজ বাতিল করে সংরক্ষণের দাবি গরু ফিরিয়ে দিয়ে গরীবের মুখে হাসি ফোটালো গাইবান্ধা সদর থানার পুলিশ পিবিআইয়ের প্রেস ব্রিফিং : গাইবান্ধা সদর ও সাদুল্লাপুরের চাঞ্চল্যকর দুটি ধর্ষণ মামলায় আসামী গ্রেপ্তার  চার মাস বেতন বন্ধ :মানবেতর জীবনযাপন করছেন রংপুর চিনিকলের শ্রমিক-কর্মচারীরা ২৫০০ টাকার তালিকা : গাইবান্ধা সদর উপজেলায় গিয়ে রামচন্দ্রপুরের তালিকায় নতুন নাম সংযুক্ত হয়েছে গোবিন্দগঞ্জে প্রেমিকের সাথে পালানোর সময় গণধর্ষণের শিকার প্রেমিকা, প্রেমিকসহ ৬জনের বিরুদ্ধে মামলা

বাঁশের পণ্যই তাদের সম্বল

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের চিকনী গ্রামের একটি পরিবার পূর্ব পুরুষের পেশাকে আজও আঁকড়ে ধরে আছেন। তাদের ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখতে এখানো তৈরি করে আসছেন বাঁশের দ্রব্যসামগ্রী। ডালি, কুলা, খোঁচা, দারকি, পলো, ঝাড়ু প্রভৃতি তৈরিকৃত পণ্যই যেন তাদের সহায়-সম্বল।

সরেজমিনে দেখা যায়, নিভৃত পল্লী অঞ্চলের চিকনী গ্রামের একই পরিবারের ইমরুল হাসান আলী, হামিদা বেগম, ইউনুছ আলীসহ খাতেমুন বেগমসহ আরও অনেকে বাঁশের পণ্যসামগ্রী তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তাদের নিপুন হাতের ছোঁয়ায় ফুটিয়ে তুলছেন তৈরী করা পণ্যগুলো।

এ সময় কথা হয় তাদের সঙ্গে। তারা জানায়, অতীতে গ্রাম-গঞ্জে বাঁশের তৈরি পণ্যসামগ্রীর কদর ছিল অনেক বেশি। এসব পণ্য শোভা পেত প্রত্যেক বাড়িতে। এছাড়া গৃহস্থালির নিত্যব্যবহার দ্রব্যাদি, ডালা, চালুন, ডুলি, খরপা, চাটাইসহ অসংখ্য জিনিস আজও তৈরি করে ক্রেতাদের চাহিদা মেটানো হচ্ছে। তবে ইদানীং প্রযুক্তির ব্যবহার ও আধুনিকতার ছোঁয়ায় দিন দিন তা হারিয়ে যেতে বসেছে।

বর্তমানে এ ব্যবসায় মন্দাভাব থাকায় বাঁশশিল্পের সঙ্গে জড়িত এই পরিবারটির চলছে দুর্দিন। বিদ্যমান পরিস্থিতিতেও দৃঢ় মনোবল নিয়ে বাঁশের পণ্য তৈরি ও তা বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেছেন ইউনুস আলীর ৭ সদস্যের পরিবারটি।

পরিবারটির সদস্য ইমরুল হাসান আলী বলেন,  এসব জিনিসপত্র তৈরির প্রধান উপকরণ বাঁশ। বিভিন্ন এলাকা থেকে বাঁশ সংগ্রহ করার পর তা দা-ছুড়ি দিয়ে ফাঁটানো হয়। চিরানো বাঁশগুলো পণ্যের মানভেদে চিকন আকারে শলা বা বাতি তৈরি করে রোদে শুকাতে হয়। এরপর বানানো হয়ে থাকে দ্রব্যসামগ্রী। এ কাজটি তার বাপ-দাদার আমল থেকে করে আসছেন। তবে অথিক পুঁজি থাকলে এটি করে স্বাবলম্বি হওয়া যেতে পারে।

আরেক সদস্য হামিদা বেগম প্রতিবেদককে জানান, তার পরিবারের সবাই এই কাজের সঙ্গে জড়িত। বাঁশের তৈরি করা পণ্যসামগ্রীগুলো ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কাছে পাইকারিতে ও স্থানীয় হাট-বাজারে খুচরা বিক্রি করা হয়। যা বিক্রি করে প্রতি মাসে খরচ বাদে লাভ হয় প্রায় ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা। এ থেকে সংসারের চাহিদা মেটানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, এখন এ পেশাকে টিকিয়ে রাখতে সরকারি ও বে-সরকারি প্রতিষ্ঠানের আর্থিকভাবে সহায়তা পেলে, তাহলে  বাঁশশিল্পের সোনালি দিন ফিরিয়ে আনা সম্ভব।

জামালপুর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান মÐল প্রতিবেদককে বলেন, এটি একটি ভালো কাজ এবং লাভজনক। তাদের বিষয়ে কিছু পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

আরও পড়ুন

বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান ফাউণ্ডেশনের উদ্যোগে গাইবান্ধায় বন্যার্তদের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ
শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গাইবান্ধায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের বৃক্ষরোপন কর্মসূচি
কোরবানি কর্মসূচির মাংস পেল গাইবান্ধার ২১০০ হতদরিদ্র পরিবার
গাইবান্ধায় এসএসসি ০২ ব্যাচের উদ্যোগে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মধ্যে ঈদের কাপড় বিতরণ
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজরিত জায়গার লিজ বাতিল করে সংরক্ষণের দাবি
গরু ফিরিয়ে দিয়ে গরীবের মুখে হাসি ফোটালো গাইবান্ধা সদর থানার পুলিশ

আরও খবর