Header Border

গাইবান্ধা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২০ ইং | ৬ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল) ২৫°সে
শিরোনাম :
সাদুল্লাপুরে অগ্নিকাণ্ডে ১০ পরিবারের ঘরবাড়ি ভস্মিভূত, ১৮ লক্ষাধিক টাকা ক্ষয়ক্ষতি গাইবান্ধায় দইয়ের বাটি তৈরী করে সফলতা পেয়েছে মজিদা ও মহিদুল গাড়ী ধোয়া-মোছার কাজ করা শ্রমিকরাই চালক হয় : সভাপতি কাজী মকবুল হোসেন সাঘাটার রামনগর গ্রাম নদীভাঙন হতে রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান ঘাঘট নদীর তীব্র ভাঙন, বিলীন হচ্ছে ঘরবাড়ি সাদুল্লাপুরে তথ্য অফিসের উঠান বৈঠক   ৫ দফা দাবিতে গাইবান্ধায় ফারিয়ার কর্মবিরতি ও মানববন্ধন গাইবান্ধায় বিআরডিবির প্রশিক্ষণ সনদ, ঋণের চেক, গাছের চারা ও বীজ বিতরণ গাইবান্ধায় ডিডিবায়ো প্রোগ্রামের প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত সাদুল্লাপুরে তথ্য অফিসের সঙ্গীতানুষ্ঠান

গাইবান্ধায় সংস্কারের উদ্যোগ নেই ঝড়ে বিধ্বস্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়, ইউএনওর আশ্বাস

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় ঝড়ে বিধ্বস্ত ছাপড়হাটি বড় আখড়া বে-সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি সংস্কার করে লেখাপড়ার উপযোগি করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। করোনার কারণে সাময়িকভাবে পাঠদান বন্ধ থাকায় বাড়িতে বসে দাপ্তরিক কাজ প্রতিষ্ঠান প্রধান করলেও যে কোন সময় পাঠদানের নির্দেশনা এলে এই কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীদের কোথায়, কিভাবে পাঠদান করা হবে তা নিয়ে নানা ধরণের দুঃচিন্তায় রয়েছেন সেখানকার শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকরা। এলাকাবাসীর দাবি শিক্ষা ব্যবস্থা এগিয়ে নিতে যত দ্রুত সম্ভব বিদ্যালয়টি সংস্কারে বরাদ্দসহ জাতীয়করণ করা হোক।

জানা যায়, উপজেলার ছাপড়হাটি ইউনিয়নের বড় আখড়ায় প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে এগিয়ে নিতে ওই এলাকার শিক্ষানুরাগী পঙ্কজ কুমার রায় ১৯৯১ সালে বিদ্যালয়টি স্থাপন করেন। জমি,অর্থসহ সব ধরণের সহযোগিতা দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি চালিয়ে আসছেন তিনি সেই থেকে। বর্তমান প্রতিষ্ঠানে শিশু শ্রেণী থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত শতাধিক শিক্ষার্থী ও শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন পাঁচজন।

সরেজমিনে দেখা দেখা গেছে, অফিস ও শ্রেণিকক্ষসহ বিদ্যালয়টি সম্পূর্ণ ঝড়ে বিধ্বস্ত হয়ে আশপাশ বিভিন্ন গাছের উপর ও ফসলি জমির উপর লন্ডভন্ড হয়ে পড়ে আছে। এসময় স্থানীয়রা জানান, ঈদ-উল ফিতরেরর দিন সকাল ৬টার দিকে কালবৈশাখী ঝড়ে বিদ্যালয়টি বিধ্বস্ত হয়। আশপাশে কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নেই। এ গ্রামের কোমলমতি শিশুরা তাদের নিকটবর্তী এ প্রতিষ্ঠানটিতে লেখাপড়া করতো। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে যে কোন সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হবে। বিদ্যালয়টি দ্রুত সংস্কার করা না হলে শিক্ষার্থীরা কোথায় লেখাপড়া করবে তা নিয়ে শিক্ষকদের পাশাপাশি এলাকাবাসিও দুচিন্তায় রয়েছেন।

জমিদাতা ও প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি পঙ্কজ কুমার রায় জানান, এ এলাকার শিশুদের শিক্ষা ব্যবস্থা সহজ করতে ও স্থানীয় বেকার শিক্ষিত যুবকদের কর্মসংস্থান তৈরির জন্য বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেছি। কিন্ত এখন পর্যন্ত জাতীয়করণ না হওয়ায় শিক্ষক-কর্মচারীরা মানবেতর জীবন যাপন করে করছেন। তাতে আবার ঝড়ে বিধ্বস্ত হলো বিদ্যালয়। কি করবো বুঝে উঠতে পারছিনা।

প্রধান শিক্ষক সুজন বলেন, পারিশ্রমিক ছাড়াই প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে পাঠদান করে আসছি। কোন প্রকার বেতন ছাড়াই অতি কষ্টে দিন পার করছি। কয়েকজন এলাকাবাসি বিদ্যালয়টি জরুরিভিত্তিতে সংস্কারসহ জাতীয়করণ করার দাবি জানিয়ে বলেন প্রশাসনের সুদৃষ্টি দেয়া প্রয়োজন।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাজী লুতফুল হাসান ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করার কথা স্বীকার করে জানান, আবেদন করলে সংস্কার কাজের বরাদ্দ দেওয়ার চেষ্টা করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

আরও পড়ুন

সাদুল্লাপুরে অগ্নিকাণ্ডে ১০ পরিবারের ঘরবাড়ি ভস্মিভূত, ১৮ লক্ষাধিক টাকা ক্ষয়ক্ষতি
গাইবান্ধায় দইয়ের বাটি তৈরী করে সফলতা পেয়েছে মজিদা ও মহিদুল
গাড়ী ধোয়া-মোছার কাজ করা শ্রমিকরাই চালক হয় : সভাপতি কাজী মকবুল হোসেন
সাঘাটার রামনগর গ্রাম নদীভাঙন হতে রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান
ঘাঘট নদীর তীব্র ভাঙন, বিলীন হচ্ছে ঘরবাড়ি
সাদুল্লাপুরে তথ্য অফিসের উঠান বৈঠক  

আরও খবর