Header Border

গাইবান্ধা বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২০ ইং | ২৮শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ (বর্ষাকাল) ৩০°সে
শিরোনাম :
বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান ফাউণ্ডেশনের উদ্যোগে গাইবান্ধায় বন্যার্তদের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গাইবান্ধায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের বৃক্ষরোপন কর্মসূচি কোরবানি কর্মসূচির মাংস পেল গাইবান্ধার ২১০০ হতদরিদ্র পরিবার গাইবান্ধায় এসএসসি ০২ ব্যাচের উদ্যোগে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মধ্যে ঈদের কাপড় বিতরণ গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজরিত জায়গার লিজ বাতিল করে সংরক্ষণের দাবি গরু ফিরিয়ে দিয়ে গরীবের মুখে হাসি ফোটালো গাইবান্ধা সদর থানার পুলিশ পিবিআইয়ের প্রেস ব্রিফিং : গাইবান্ধা সদর ও সাদুল্লাপুরের চাঞ্চল্যকর দুটি ধর্ষণ মামলায় আসামী গ্রেপ্তার  চার মাস বেতন বন্ধ :মানবেতর জীবনযাপন করছেন রংপুর চিনিকলের শ্রমিক-কর্মচারীরা ২৫০০ টাকার তালিকা : গাইবান্ধা সদর উপজেলায় গিয়ে রামচন্দ্রপুরের তালিকায় নতুন নাম সংযুক্ত হয়েছে গোবিন্দগঞ্জে প্রেমিকের সাথে পালানোর সময় গণধর্ষণের শিকার প্রেমিকা, প্রেমিকসহ ৬জনের বিরুদ্ধে মামলা

২৫০০ টাকার তালিকা : গাইবান্ধা সদর উপজেলায় গিয়ে রামচন্দ্রপুরের তালিকায় নতুন নাম সংযুক্ত হয়েছে

করোনায় প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা কর্মসূচির ২৫০০ টাকার নামের তালিকায় নাম পাল্টানোর অভিযোগ উঠেছে গাইবান্ধা সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নে। সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠানো নামের স্থলে অন্য কয়েকজনের নাম সংযুক্ত করা হয়েছে বলে এই অভিযোগ। ইউনিয়নের এক ইউপি সদস্য, ইউপি সদস্যের ঘনিষ্ঠ এক ব্যক্তি ও উপজেলার এক কর্মচারীর যোগসাজশে এই অনিয়ম করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

রামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউপি সচিব স্বাক্ষরিত করোনায় কর্মহীন ৭৬০ জন দরিদ্র ও অসহায়ের নামের তালিকা চলতি বছরের ৭ মে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে পাঠানো হয়। পরে এই তালিকায় উপকারভোগীর নাম, স্মার্ট কার্ড নম্বর, জন্ম তারিখ ও মোবাইল নম্বরে ত্রুটি থাকায় তা সংশোধনের জন্য গত ১ জুলাই ১ম পর্যায়ে ৩৩৪ জন ও ২য় পর্যায়ে ১২ জুলাই ২১০ জনের নাম ফেরত পাঠানো হয়।

এই তালিকা সংশোধনের সময় ৭৬০ জনের নামের যে তালিকা ইউএনওর কাছে পাঠানো হয়েছিল সেখানকার নামের স্থলে নতুন ৯ জনের নাম পাওয়া যায়। নতুন সংযুক্ত করা নামগুলো হলো- ১ম পর্যায়ের তালিকার ৪৭ নম্বরে রবিউল ইসলাম, ১০৭ নম্বরে রফিকুল ইসলাম, ১১৬ নম্বরে মিঠু চন্দ্র মহন্ত, ১২১ নম্বরে এবাদুল হক, ১৫৭ নম্বরে রফিকুল ইসলাম রফিক এবং ২য় পর্যায়ের তালিকার ৫০ নম্বরে কৃষ্ণ চন্দ্র মহন্ত, ৫৬ নম্বরে আব্দুল মান্নান, ৬০ নম্বরে ইউনুছ আলী ও ৮৯ নম্বরে মিন্নু মিয়া। যাতে কেউ বিষয়টি বুঝতে না পারে সেজন্য এসব ব্যক্তির গ্রামের ঠিকানায় লেখা হয়েছে অন্য গ্রামের নাম।

এর মধ্যে ইউনুছ আলী ও রফিকুল ইসলাম রফিকসহ কয়েকজন বলেন, আমি নামসহ অন্যান্য তথ্য ও কাগজ দিয়েছি ইউপি সদস্য মিজানুর রহমানকে। মিন্নু মিয়া বলেন, ইউপি সদস্য মিজানুর রহমানের ঘনিষ্ঠ রফিকুল ইসলাম বিদ্যুৎ আমার নাম, মোবাইল নম্বর ও স্মার্টকার্ডের ফটোকপি নিয়েছেন।

অভিযুক্ত ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান বলেন, ইউএনও কার্যালয়ের টেকনিশিয়ান সোহেল রানার আত্মীয় রফিকুল ইসলাম বিদ্যুতের বাড়ী আমার গ্রামে। বিদ্যুত কয়েকজনের কাছে থেকে নাম-কাগজসহ প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে সোহেল রানার মাধ্যমে ওই তালিকায় সংযুক্ত করেছেন। আর এসব লোকদের বলেছেন- কেউ জানতে চাইলে যেন বলা হয়, ইউপি সদস্য মিজানুর রহমানকে নাম-কাগজ দিয়েছি। সোহেল রানা কয়েকটি নাম সংযুক্ত করেছেন বলে আমার কাছে স্বীকারও করেছেন। প্রকৃতপক্ষে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। এই অনিয়মের সাথে জড়িত এবং রফিকুল ইসলাম বিদ্যুত ঘনিষ্ঠ নন বলেও দাবি করেন ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান।

অভিযোগ অস্বীকার করে টেকনিশিয়ান সোহেল রানা বলেন, ওই ইউনিয়নে আমার কোন আত্মীয় নেই। আমাকে চাকরি করে খেতে হয়। আমার কি দায় পড়েছে, নাম সংযুক্ত করে সমস্যা সৃষ্টি করার। একই বিষয়ে ইউপি সদস্যের ঘনিষ্ঠ রফিকুল ইসলাম বিদ্যুত বলেন, পাঁচজন খুবই গরীবের নাম ও কাগজ আমার সমন্ধি শফিকুলকে দিয়ে এসেছিলাম। তিনি ইউএনও কার্যালয়ে অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর প্রতিবেশি চাচাতো ভাই মো. আশাদুজ্জামানকে দিয়েছেন। সেই নামগুলো তালিকায় উঠেছে। তবে কারো কাছ থেকে কোন টাকা নেননি বলে দাবি করেন রফিকুল ইসলাম বিদ্যুত। তবে এ বিষয়ে মো. আশাদুজ্জামান বলেন, এ সংশ্লিষ্ট কেউ কোন কাগজ আমাকে দেননি। আর শফিকুল নামের কাউকে আমি চিনিনা। আমার বাড়ী অন্য ইউনিয়নে।

ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান ও টেকনিশিয়ান সোহেল রানা যোগসাজশ করে নতুন নাম সংযুক্ত করেছেন দাবি করে রামচন্দ্রপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, উপজেলা থেকে সংশোধনের জন্য দুই দফায় ৫৪৪ জনের নামের যে তালিকা এসেছে সেখানে কিছু নতুন নাম পাওয়া গেছে। অথচ সেসব নাম পাঠানোই হয়নি। তাই নতুন এসব ব্যক্তি যাতে টাকা না পান সেজন্য ইউএনওকে লিখিতভাবে জানিয়েছি।

এব্যাপারে গাইবান্ধা সদর ইউএনও প্রসূন কুমার চক্রবর্তী বলেন, ইউপি চেয়ারম্যান এসে সব ঠিক করে দিয়ে গেছেন। সেগুলোই চূড়ান্ত ধরে পাঠানো হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদ থেকে পাঠানো নামের স্থলে অন্য নাম সংযুক্তের কোন সুযোগ নেই জানিয়ে ইউএনও আরও বলেন, সোহেল রানা একাই এসব কাজ করেন না। কয়েকজন মিলে কাজটি করতে হয়েছে। তারপরও যদি এমনটা হয়ে থাকে তাহলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

আরও পড়ুন

বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান ফাউণ্ডেশনের উদ্যোগে গাইবান্ধায় বন্যার্তদের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ
শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গাইবান্ধায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের বৃক্ষরোপন কর্মসূচি
কোরবানি কর্মসূচির মাংস পেল গাইবান্ধার ২১০০ হতদরিদ্র পরিবার
গাইবান্ধায় এসএসসি ০২ ব্যাচের উদ্যোগে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মধ্যে ঈদের কাপড় বিতরণ
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজরিত জায়গার লিজ বাতিল করে সংরক্ষণের দাবি
গরু ফিরিয়ে দিয়ে গরীবের মুখে হাসি ফোটালো গাইবান্ধা সদর থানার পুলিশ

আরও খবর