Header Border

গাইবান্ধা শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২০ ইং | ৩১শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ (বর্ষাকাল) ৩০°সে
শিরোনাম :
বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান ফাউণ্ডেশনের উদ্যোগে গাইবান্ধায় বন্যার্তদের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গাইবান্ধায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের বৃক্ষরোপন কর্মসূচি কোরবানি কর্মসূচির মাংস পেল গাইবান্ধার ২১০০ হতদরিদ্র পরিবার গাইবান্ধায় এসএসসি ০২ ব্যাচের উদ্যোগে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মধ্যে ঈদের কাপড় বিতরণ গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজরিত জায়গার লিজ বাতিল করে সংরক্ষণের দাবি গরু ফিরিয়ে দিয়ে গরীবের মুখে হাসি ফোটালো গাইবান্ধা সদর থানার পুলিশ পিবিআইয়ের প্রেস ব্রিফিং : গাইবান্ধা সদর ও সাদুল্লাপুরের চাঞ্চল্যকর দুটি ধর্ষণ মামলায় আসামী গ্রেপ্তার  চার মাস বেতন বন্ধ :মানবেতর জীবনযাপন করছেন রংপুর চিনিকলের শ্রমিক-কর্মচারীরা ২৫০০ টাকার তালিকা : গাইবান্ধা সদর উপজেলায় গিয়ে রামচন্দ্রপুরের তালিকায় নতুন নাম সংযুক্ত হয়েছে গোবিন্দগঞ্জে প্রেমিকের সাথে পালানোর সময় গণধর্ষণের শিকার প্রেমিকা, প্রেমিকসহ ৬জনের বিরুদ্ধে মামলা

এই শীতে হিলিতে পিঠা বিক্রির ধুম

যতই দিন যাচ্ছে উত্তরের জনপদ দিনাজপুরের হাকিমপুরসহ (হিলি) আশপাশের উপজেলাগুলোতে অনেকটাই শীতের প্রকোপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। সকালটা ঘন কুয়াশার মাঝ দিয়ে শুরু হলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশা কেটে গেলেও বাড়তে থাকে শীতের প্রকোপ। আবার বিকেল গড়ালেই যেন বৃষ্টির মতো কুয়াশা পরতে থাকে। শীতকে উপেক্ষা করে অনেকেই শীতের পিঠা খেতে ভিড় জমাচ্ছে পিঠা তৈরির দোকানগুলোতে।

এই শীতে গ্রামের মানুষের মজার খাবার হলো ভাপা পিঠা, চিতই পিঠা, রসমালাই। এরমধ্যে গ্রাম অঞ্চলে গোলায় ধানও উঠতে শুরু করেছে। শীতের সকালে হাকিমপুর উপজেলার হিলি স্থলবন্দর এলাকায় বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে বসে ভ্রাম্যমাণ পিঠার দোকান। এসব দোকানগুলোতে দেখা যায় পিঠা প্রেমীদের ভিড়।

শীতের সকালে ভাপা পিঠা এবং বিকেলে চিতই পিঠা খেতে পিঠা প্রেমীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠে এসব পিঠার দোকান। এখন আগের মতো বাসা-বাড়িতে এসব পিঠার আয়োজন না থাকলেও তা বিক্রি হচ্ছে বাণিজ্যিকভাবে এ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে। পিঠার দোকানে ভিড় করছে ধনী-গরিবসহ সকল শ্রেণি ও পেশার মানুষ।

পিঠা প্রেমী মাজহারুল ইসলাম বলেন, কোন ঝামেলা ছাড়াই হাতের নাগালে আমরা ভাপা পিঠা, চিতই পিঠা পাচ্ছি। দাম কম আবার খেতেও সুস্বাদু। তাই আমি প্রতিদিন সন্ধ্যায় ও সকালে পিঠা খেতে আসি।

ডলি মেমোরিয়াল স্কুলের ২য় শ্রেণীর শিক্ষার্থী সালমান মাহমুদ নূর বলেন, আমি প্রতিদিন সকালে দাদুর সাথে ভাপা পিঠা খেতে এখানে আসি। আমি আমার পাঠ্য বইয়ে পড়েছি ভাপা পিঠা, চিতই পিঠার নাম।

হিলি চারমাথা মোড়ে পিঠার দোকানে পিঠা খেতে আসা আলহাজ্ব মতিউর রহমানের সাথে কথা হয়। তিনি বলেন, আগের মত বাসায় আর পিঠা তৈরি উৎসব হয় না। বাজারে পিঠার দোকান দেখে লোভ সামলাতে পারলাম না, তাই দুটি ভাপা পিঠা খেলাম। তবে আগের স্বাদ আর সেই পিঠা-পুলিতে নেই।

পিঠা বিক্রেতা সালেহা বেগম বলেন, সকালে গরম গরম ভাপা পিঠা আর সন্ধ্যায় চিতই পিঠার কদর বেড়েছে। আমার দোকানে বিক্রি খুব ভালো হচ্ছে। প্রতিদিন বিকেল থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত ৮শ  থেকে ১ হাজার টাকার পিঠা বিক্রি করে থাকেন। এতে পিঠা তৈরির উপকরণ ও জ্বালানী খরচ বাদ দিয়ে ৩শ থেকে ৪শ লাভ হয় বলে তিনি জানান। এই উপার্জিত টাকা দিয়ে তার সংসার ভালোভাবেই চলছে বলে জানান তিনি|

আপনার মতামত লিখুন :

আরও পড়ুন

বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান ফাউণ্ডেশনের উদ্যোগে গাইবান্ধায় বন্যার্তদের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ
শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গাইবান্ধায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের বৃক্ষরোপন কর্মসূচি
কোরবানি কর্মসূচির মাংস পেল গাইবান্ধার ২১০০ হতদরিদ্র পরিবার
গাইবান্ধায় এসএসসি ০২ ব্যাচের উদ্যোগে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মধ্যে ঈদের কাপড় বিতরণ
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজরিত জায়গার লিজ বাতিল করে সংরক্ষণের দাবি
গরু ফিরিয়ে দিয়ে গরীবের মুখে হাসি ফোটালো গাইবান্ধা সদর থানার পুলিশ

আরও খবর