Header Border

গাইবান্ধা শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২০ ইং | ৩১শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ (বর্ষাকাল) ২৯°সে
শিরোনাম :
বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান ফাউণ্ডেশনের উদ্যোগে গাইবান্ধায় বন্যার্তদের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গাইবান্ধায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের বৃক্ষরোপন কর্মসূচি কোরবানি কর্মসূচির মাংস পেল গাইবান্ধার ২১০০ হতদরিদ্র পরিবার গাইবান্ধায় এসএসসি ০২ ব্যাচের উদ্যোগে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মধ্যে ঈদের কাপড় বিতরণ গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজরিত জায়গার লিজ বাতিল করে সংরক্ষণের দাবি গরু ফিরিয়ে দিয়ে গরীবের মুখে হাসি ফোটালো গাইবান্ধা সদর থানার পুলিশ পিবিআইয়ের প্রেস ব্রিফিং : গাইবান্ধা সদর ও সাদুল্লাপুরের চাঞ্চল্যকর দুটি ধর্ষণ মামলায় আসামী গ্রেপ্তার  চার মাস বেতন বন্ধ :মানবেতর জীবনযাপন করছেন রংপুর চিনিকলের শ্রমিক-কর্মচারীরা ২৫০০ টাকার তালিকা : গাইবান্ধা সদর উপজেলায় গিয়ে রামচন্দ্রপুরের তালিকায় নতুন নাম সংযুক্ত হয়েছে গোবিন্দগঞ্জে প্রেমিকের সাথে পালানোর সময় গণধর্ষণের শিকার প্রেমিকা, প্রেমিকসহ ৬জনের বিরুদ্ধে মামলা

বাকবাকুম শব্দে মুখরিত শহিদুলের বাড়ি

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের খোর্দ্দ রসুলপুর গ্রামের মৃত মাহাতাব আলীর ছেলে শহিদুল ইসলাম। তার শয়ন ঘরে চালার উপর পাখা মেলে উড়াউড়ি করে ঝাঁকে ঝাঁক কবুতর (পায়রা)। আর এই কবুতরের বাকবাকুম শব্দে মুখরিত হয়ে উঠেছে শহিদুলের গোটাবাড়ি।
জানা যায়, শহিদুল ইসলাম পেশায় একজন কৃষক। তিন বছর আগে শখে বসে দুইজোড়া কবুতর (পায়রা-পায়রি) ৮০০ টাকা দিয়ে কিনেন। ঘরে চালার উপরে একটি খাঁচা তৈরী করে কবুতর দুইটি লালন-পালন শুরু করা হয়। মাসখানেক আবদ্ধ খাঁচায় কবুতরকে খাদ্য দেওয়ার পর পোষ মানানো হয়। এরপর ছেড়ে দেওয়া হয় কবুতরগুলো।
এসব কবুতর সারাদিন বিভিন্ন এলাকায় উড়েউড়ে আহার করে থাকে। দিন পেরিয়ে সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসার সাথে সাথেই স্বেচ্ছায় ফিরে আসে সেই আবদ্ধ খাঁচার শান্তির নীড়ে। এভাবে কয়েক মাস পরই পায়রি জাতের কতবুরটি বাচ্চা দিতে থাকে। এমনিভাবে প্রজননে ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে শহিদুলের কবুতরের সংখ্যা। এখন প্রায় ২০০ কবুতর রয়েছে তার বাড়িতে।
এইসব কবুতরগুলো ভোরের সূর্য উঠার সাথেই বাকবাকুম শব্দে মুখরিত হয়ে যায় গোটা বাড়ি। খাদ্যের সন্ধানে কবুতরগুলো পাখা মেলে ঝাঁকে ঝাঁক উড়ে যায় অন্য দিগন্তরে। আবার বাড়তি খাবারের জন্য ফিরে আসে শান্তির নীড় খাঁচায়।
এদিকে পাখিপ্রেমি শহিদুল ইসলাম কবুতরগুলোকে খাদ্য হিসেবে চালের কুড়া, গুড়া, ভাতসহ নানা ধরণের মিশ্রিত খাবার দেন। এরপর কবুতরগুলো আবাও উড়াল দেয় আপন খেয়ালে। ফের সন্ধ্যা ঘনি ফিরে আসে সেই খাঁচায় ।
কবুতর মালিক শহিদুল ইসলাম জানান, প্রথমে শখ করে কবুতর পালন শুরু করেন। প্রজনন ক্ষমতায় ধীর ধীরে বাড়তে থাকে কবুতরের সংখ্যা। এর মাংস মনুষ্যখাদ্য হিসাবে ব্যবহৃত হয়। স্থানীয়ভাবে কবুতর বাচ্চার চাহিদা প্রচুর। একমাস বয়সের বাচ্চা প্রতিটি ১০০-১৫০ টাকা দামে বিক্রি করেন। এ থেকে বছরে প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা কবুতর বিক্রি করা হয়। যেহেতু বাহিরে আহার করে সেহেতু খরচ হয় অনেক কম। তাও বার্ষিক প্রায় ৭ থেকে ৮ হাজার টাকা খরচ করতে হয়।
তিনি আরও জানান, অল্প খরচে কবুতর পালনে লাভ বেশী। তাই বর্ধিত আকার খাঁচায় বানিজ্যিকভাবে কবুতর লালন-পালন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
প্রাণিসম্পদ বিভাগ সুত্রে জানা জায়, পোষা পাখি হিসেবে কবুতর পালন খুবই জনপ্রিয়। এছাড়া বানিজ্যি ভিত্তিক কবুতরের ফার্ম লাভজনক। পর্যাপ্ত সুযোগ সুবিধা ও আগ্রহ রয়েছে, এমন অনেকেই নিজের বাসা বাড়িতে কবুতর লালন-পালন ভালোবাসেন। এদেরকে শান্তির প্রতীক হিসেবেও গণ্য করা হয়ে থাকে। কবুতর পালনে অনেক কম পরিশ্রম করতে হয় এবং এতে বেশ অল্প পরিমাণ মূলধন লাগে। কারও অবসর সময় থাকে এবং পাখির প্রতি অগাধ ভালোবাসা থেকে থাকে তাহলে খুব সহজেই বাসা-বাড়ির ছাদে কবুতর পালন অনেকটাই লাভজনক।
সাদুল্লাপুর প্রাণিসম্পদ কমকর্তা আরিফুর রহমান কনক বলেন, আদিকাল থেকে মানুষ বাসা-বাড়িতে কবুতর পালন করে আসছিলেন। নানা কারণে তা আবার কমেছে। তবে এটি যদি কেউ ব্যবসায়ীক মনে লালন-পালন করেন, অনায়াসে তিনি স্বাবলম্বি হতে পারেন।

আপনার মতামত লিখুন :

আরও পড়ুন

বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান ফাউণ্ডেশনের উদ্যোগে গাইবান্ধায় বন্যার্তদের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ
শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গাইবান্ধায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের বৃক্ষরোপন কর্মসূচি
কোরবানি কর্মসূচির মাংস পেল গাইবান্ধার ২১০০ হতদরিদ্র পরিবার
গাইবান্ধায় এসএসসি ০২ ব্যাচের উদ্যোগে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মধ্যে ঈদের কাপড় বিতরণ
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজরিত জায়গার লিজ বাতিল করে সংরক্ষণের দাবি
গরু ফিরিয়ে দিয়ে গরীবের মুখে হাসি ফোটালো গাইবান্ধা সদর থানার পুলিশ

আরও খবর